শিবপুরে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি ও কুপিয়ে জখম, স্ত্রী-মেয়েও আহত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নরসিংদীর শিবপুরে চাঁদা দাবির অভিযোগে নবী হোসেন নামে এক পণ্য পরিবহন ব্যবসায়ীকে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় স্বামীকে রক্ষা করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন তাঁর স্ত্রী ও মেয়েও। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের উত্তর কারারচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত নবী হোসেন ওই গ্রামের ফজর রহমানের ছেলে। তিনি পিকআপভ্যানে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় সানি নামের এক ব্যক্তিসহ ৬-৭ জনের একটি সশস্ত্র দল নবী হোসেনের বাড়িতে গিয়ে তাঁর ছোট ভাই মনির হোসেনকে খুঁজতে থাকে। মনিরকে না পেয়ে তারা নবী হোসেনের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। এতে রাজি না হওয়ায় দুর্বৃত্তরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পেটে গুলি করে গুরুতর আহত করে।
এ সময় নবী হোসেনকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাঁর স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও মেয়ে সোহাগি আক্তারকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নবী হোসেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত নবী হোসেনের স্ত্রী সোহাগি আক্তারের অভিযোগ, সানি, নয়ন ও রব্বির নেতৃত্বে হামলাকারীরা গুলি করতে করতে বাড়িতে প্রবেশ করে। তাঁর দেবর মনিরকে না পেয়ে স্বামীর কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ও পেটে গুলি করা হয়। পরে তাঁকেও মেয়েসহ মারধর করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিকিৎসকরা তাঁর স্বামীর শরীর থেকে একটি গুলি বের করেছেন বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন নবী হোসেনের স্ত্রী।
তবে শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কোহিনূর মিয়া বলেন, পাওনা টাকা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। উভয় পক্ষই মারামারিতে জড়িয়েছে এবং ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
(সূত্র-দৈনিক গ্রামীন দর্পণ)
| ফজর | 04:31 am ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:10 pm দুপুর |
| আছর | 04:45pm বিকাল |
| মাগরিব | 06:15 pm সন্ধ্যা |
| এশা | 07:30 pm রাত |
| জুম্মা | 1:30 pm দুপুর |